১৭ অক্টোবর ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ৩২ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ০৬অগা–১২অগা ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 32 issue: Berlin, Monday 06Aug-12Aug2018

৬ই অগাস্টের জাপানে আনবিক বোমা নিক্ষেপের সিদ্ধান্ত হয়েছিল পটসডাম সম্মেলন থেকে

পটসডাম চুক্তি সম্পর্কিত ঐতিহাসিক ঘটনা

প্রতিবেদকঃ মোনাজ হক, বার্লিন তারিখঃ 2015-08-06   সময়ঃ 01:26:41 পাঠক সংখ্যাঃ 1291

৭০ বছর আগে এই গ্রীষ্মকালীন রাজ বাড়িটিতে পৃথিবীর তিনটি ক্ষমতাবান দেশের সরকার প্রধান মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান, সোভিএট্ সরকারপ্রধান স্তালিন ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী চার্চিল ১৭ জুলাই থেকে ২ অগাস্ট ১৯৪৫ বার্লিনের নিকটতম শহর পটসডাম এ আলোচনায় বসেন, যা পরবর্তিতে ঐতিহাসিক "পটসডাম সম্মেলন" বা "পটসডাম চুক্তি" নামে পরিচিত হয়। পটসডাম চুক্তি সম্পর্কে ঐতিহাসিক ঘটনা কে না জানে, কিন্তু পাঠক জেনে অবাক হবেন যে এই রাজ বাড়িটিতে বসেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান সেই ঐতিহাসিক ধংসাত্মক সিদ্ধান্ত - ৬ই অগাস্ট জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি তে আনবিক বোমা ফেলার সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন।
এইত দুসপ্তাহ আগে আমি আবারও পটসডাম এর এই রাজ বাড়িটিতে বেড়াতে গিয়েছিলাম, ১০ বছর আগেও ঐতিহাসিক তথ্যের খোঁজে গিয়ে যখন প্রথম শুনেছিলাম যে এই সেই গোল টেবিল যেখানে বসে বিশ্বের ক্ষমতাবান রাজনীতিবিদরা ২ সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর শান্তি চুক্তির নামে জাপানে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তখন যুদ্ধ আর শান্তির মাঝে কোনো দুরত্ব খুঁজে পাই না।
পটসডাম সম্মেলনে আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল মিত্রশক্তির এই তিনটি দেশ (এবং ফ্রান্স) পরাজিত জার্মানিকে যুদ্ধের প্রধান দায়ী করে জার্মানির শাসন ক্ষমতা কিভাবে ভাগা -ভাগী করবে তাই নিয়ে। যদিও পটসডাম চুক্তির কোথাও জাপানে এটম বোমা মারার সিদ্ধান্তের কথা লেখা নেই, তবে ঐতিহাসিক সত্য যে ২৪ জুলাই ১৯৪৫ হ্যারি ট্রুম্যান নাকি স্তালিন ও চার্চিলকে বলেছিল "জাপান যদি এখনো যুদ্ধ না থামায় তাহলে আমেরিকা তাদের সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবহার করবে" সেই মারাত্মক ক্ষেপনাস্ত্র যে "এটমবোম" তা ট্রুম্যান গোপন করেছিল। পরবর্তিতে স্তালিন এবং চার্চিল বহুবার সাংবাদিক সাক্ষাত্কারে বলেছেন যে ট্রুম্যান এটমবোম এর কথা গুনাক্ষরেও বলেনি সম্মেলনে, এটা তার নিজের একক সিদ্ধান্ত ছিল জাপানের ব্যাপারে। আসলেও তাই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কি সিদ্ধান্ত নেবে তা কি স্তালিন আর চার্চিলের মতামতের ওপর নির্ভর করে? তাই ঐতিহাসি সত্যটা হলো দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হয় জার্মান সেনাবাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ এর মাধ্যমে ৮ ই মে ১৯৪৫ সনে, আর প্রায় তিন মাস পরে হ্যারি ট্রুম্যান ২৪ সে জুলাই এই রাজ বাড়িতে বসেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জাপানে এটমবোম মারার। আর তা কার্যকরী হয় ৬ই অগাস্ট ১৯৪৫ > মোনাজ হক, বার্লিন

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ