২০ নভেম্বর ২০১৭ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৬ষ্ঠ বর্ষ ১৫ম সংখ্যা: বার্লিন, রবিবার ০৯এপ্রি – ১৫এপ্রি ২০১৭ # Weekly Ajker Bangla – 6th year 15th issue: Berlin, Sunday 09 Apr – 15 Apr 2017

সামনে নববর্ষ - বৈশাখী প্রস্তুতি ‍আজই

বছরকে বরণ করে নিতে চারদিকে চলছে জোর প্রস্তুতি

প্রতিবেদকঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর তারিখঃ 2016-04-12   সময়ঃ 07:35:35 পাঠক সংখ্যাঃ 256

বছরকে বরণ করে নিতে চারদিকে চলছে জোর প্রস্তুতি, কোথাও যেন আনন্দ আয়োজনের কমতি নেই এতটুকুও। >বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

নতুন বছরকে বরণের জন্য প্রতিবছরই বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। আর শোভাযাত্রা মানেই হরেক রকমের মুখোশ, ব্যানার, ফেস্টুনের ছড়াছড়ি। বর্ষ বরণের আগে জানিয়ে দিচ্ছি ব্যানার ফেস্টুন ও মুখোশের খবর।

ব্যানার: ঢাকার বকশীবাজার, কাঁটাবন, নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী, পল্টনসহ প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই ব্যানারের কাজ করা হয়। তবে পাড়া বা মহল্লার দোকানগুলোতেও আজকাল ব্যানারের কাজ করা হচ্ছে। ব্যানারের জন্য সবচেয়ে ভালো হল পল্টন ও নীলক্ষেত। এখানে প্রায় ২০০-২৫০টি দোকান রয়েছে আর খরচ হবে ২৮০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা।

ফেস্টুন: ব্যানারের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ হল ফেস্টুন। ফেস্টুন সহজে বহনযোগ্য। প্রতি পিসের খরচ পড়বে ৫০ থেকে ২০০ টাকা। তবে ডিজিটাল ফেস্টুনের দাম পড়বে ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা। মান ও এলাকা ভেদে খরচের পরিমাণটা কমবেশি হতে পারে।

মুখোশ: বৈশাখ মানেই রঙের ছড়াছড়ি। বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখে মুখোশের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৮৮-৮৯ সাল থেকে। বিশেষ করে চারুকলা ছাত্রছাত্রীর উদ্যোগে এ মুখোশ সংস্কৃতির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। প্রতিটি মুখোশ ২০০ থেকে ৮০০ টাকায় কিনতে পারবেন চারুকলা থেকে।

এতো গেল শোভা যাত্রার প্রস্তুতি। ঘরও তো সাজাতে হবে:

মাটির বাসন: পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যময় উৎসব। এদিনটায় অন্তত মানুষ চাইবে শতভাগ বাঙালি হতে। ফিরে যাবে আমাদের গৌরবময় বাঙালি সংস্কৃতির কোলে। বৈশাখের সকালে প্রতিটি বাঙালিই চাইবে মাটির সানকিতে পান্তাভাত আর ইলিশ খেতে পাশাপাশি ঘরের অন্দর সজ্জাতেও থাকবে মাটির জিনিসপত্রের আধিক্য।

আড়ংয়ে আপনি পাবেন রকমারি ডিজাইনের মাটির মগ, গ্লাসের দাম পড়বে ৩০-৫০ টাকা, জগ ১০০-১২০ টাকা, মাটির চমৎকার প্লেটগুলো পাবেন ৩০-৯০ টাকায়, পান্তা খাবার সানকিগুলো পাবেন ৫০ টাকার মধ্যেই ছোট প্লেট-পিরিচের দাম পড়বে ২৫-৪০ টাকা, ঢাকনাসহ কবি ডিশ পাবেন ৫০-১২০ টাকায়। মাটির কাপ-পিরিচ ২০-৪০ টাকা, বিভিন্ন সাইজের মাটির বাটি পাওয়া যাবে ৩০-১২০ টাকায়।

এছাড়াও মাটির জিনিসপত্রের দেখা মিলবে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির বিপরীতে, কলাবাগানের ফুটপাতে, ঢাকা কলেজের সামনের ফুটপাতে, আসাদ গেট এলাকায়। এছাড়া আমাদের বেশকিছু দেশীয় ফ্যাশন হাউসের রয়েছে মনকাড়া মাটির সামগ্রী। এর মধ্যে আড়ং, যাত্রা, ক্লে-ইমেজ হ্যান্ডমেইড সানরাইজ প্লাজার সিরমিক, মিরপুরের শিল্পচর্চা, মোহাম্মদপুরের আইডিয়া ক্রাফটস, শাহবাগ আজিজ মার্কেটে আইডিয়াস কর্নারসহ বেশকিছু দোকান রয়েছে যেগুলোতে মাটির জিনিসপত্র পাবেন। বৈশাখে বাড়িতে দেশীয় আমেজ আনতে মাটির তৈজসপত্র কিনতে চাইলে আজই চলে যান পছন্দমতো দোকান বা মার্কেটে।

আলপনা: বৈশাখ এলেই যেন আলপনা আঁকানোর বিশেষ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে শিশু ও তরুণ-তরুণীর মধ্যে। ছেলেমেয়েরা শাড়ি-পাঞ্জাবি যাই পরুক না কেন বৈশাখী আমেজে গা ভাসাতে আলপনা আঁকানো চাই-ই চাই।

 

রমনার বটমূল চারুকলার বকুলতলা, টিএসসি, কলাভবন, ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরসহ সর্বত্রই থাকে বৈশাখের নানা আয়োজন। আর এসব জায়গাতেই আলপনা আঁকিয়েদের দেখা মিলবে। ডিজাইন ভেদে ২০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়বে।

নববর্ষের উৎসবে অনেকেই আবার আলপনার রঙে রাঙিয়ে তোলেন গৃহকোণ কোন উৎসবে আলপনা করতে গেলে অবশ্যই উৎসবের আবহের সঙ্গে মিল রেখে করতে হবে। উৎসবটা যেহেতু পহেলা বৈশাখ তাই লাল-সাদাই হবে শ্রেয়তর।

রঙে একটু বৈচিত্র্য আনতে একটির সঙ্গে আরেকটি রং মেশালে ভিন্নতা আসবে। আলপনায় শোভা পেতে পারে লোকজ সংস্কৃতি, কুলা, ঢোল, তবলা, লতা-পাতা, ফুলসহ বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় এমন কিছু। আলপনার শুরুটা হতে পারে প্রবেশপথ থেকেই। ফ্ল্যাটে বা বাড়ি ঢোকার মুখে যদি স্পেস না থাকে তাহলে অর্ধবৃত্তাকার আলপনা করতে পারেন। আর যদি স্পেস থাকে তাহলে সিঁড়ি বা লিফট থেকে নেমে বৃত্তাকার আলপনা করা যেতে পারে। আলপনা যেহেতু কয়েকদিনের জন্য তাই প্লাস্টিক পেইন্ট দিয়ে আলপনা করানোই ভালো হবে। কারণ প্লাস্টিক পেইন্ট তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় আবার ঘষা দিলে উঠে যায়। এছাড়া আইকা/আঠা, রঙের পাউডার সেই সঙ্গে পরিমাণ মতো পানি মিশিয়েও আলপনা করা যেতে পারে।

এবার পরিবেশ আরও মোহনীয় করতে প্রদীপ জ্বালিয়ে দিতে পারেন। দেখবেন আলপনাতেই উৎসবের আমেজে পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে ঘর।



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ