১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৬ষ্ঠ বর্ষ ৩৫শ সংখ্যা: বার্লিন, রবিবার ২৭আস্ট – ০২সেপ্টে ২০১৭ # Weekly Ajker Bangla – 6th year 35th issue: Berlin,Sunday 27Aug – 02Sep 2017

কবি শহীদ কাদরি ও নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গন

কবির চারিধারে নব্য আওয়ামীলীদেরই পদচারণা সব চাইতে বেশি

প্রতিবেদকঃ আল আমিন বাবু তারিখঃ 2016-09-02   সময়ঃ 16:02:42 পাঠক সংখ্যাঃ 253

সম্প্রতি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী লুৎফুন নাহার লতা তার এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন :
"নিউইয়র্কে কবিকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে দেয়া হয় নি। নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কাউকে সুযোগ দেয়াও হয়নি কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবার কোনো আয়োজন করতে। যতদুর জানা যায় হাসান ফেরদৌস নিউইয়র্ক সম্মিলিতি সাংস্কৃতিক জোটের প্রধান মিথুন আহমেদকে বলেন তিনি নিজেই এর ব্যবস্থা করবেন, অথচ তা তিনি করেন নি। হাসান ফেরদৌসের এই হীন আচরনের নিন্দা জানাই।
আমার যতদূর মনে পড়ে ২০০৭ বা ২০০৮ এর কোনো এক সময় তখনও আওমিলিগ ক্ষমতায় আসে নাই,নিউ ইয়র্ক এর এক স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিক কবি শহীদ কাদরির একটা সাক্ষাৎকার নিয়ে ছিলেন যা তিনি অন লাইনে দিয়েছিলেন । সেখানে এক প্রশ্নের উত্তরে কবি বলেছিলেন,"আমরা বইমেলার আগের রাতে বাংলা একাডেমিতে সবাই খুব আতংকের মধ্যে সময় পার করছিলাম ,এই বুঝি মেলার স্টল গুলি ভেঙে দেয়া হবে ,এই বুঝি আক্রমণ হবে " তখন প্রশ্নকর্তা কবিকে জিজ্ঞাস করলেন ,"কারা আক্রমণ করবে ?" কবি উত্তর দিয়েছিলেন বিএনপি জামাতের লোকরা । "
কিন্তু দুঃখের বিষয় ,ওই সাক্ষাৎকারটি নিউ ইয়র্ক এর একটি পত্রিকাতে যখন ছাপানো হয়েছিল তখন কবির ওই কথাগুলো সেখানে ছিল না । ওই সাংবাদিককে যখন প্রশ্ন করা হলো যে, আপনার অন লাইন এ দেখা কবির সেই সাক্ষাৎকারটি থেকে কিছু অংশ আপনার লেখায় বাদ পড়লো কেন ? উত্তরে তিনি বলেছিলেন যে , "ভাই বিএনপি জামাত এখানে খুব স্ট্রং তাই লিখলাম না ।"
তবে সুখের ব্যাপার হলো ,যে সাংবাদিক সেদিন হিউমেন রাইট এর শহর নিউ ইয়র্ক এ অবস্থান করেও বিএনপি জামাত কে ভয় পেয়ে জীবন্ত কবির সাক্ষাৎকার কে ছেটে দিয়ে তার পত্রিকায় ছেপেছিলেন তারা এখন মাশাল্লাহ ! নব্য আওয়ামীলীগের প্রগতিশীলদের পক্ষের প্রথম সারির নেতাদেরই চেতনার অগ্রগামী দলের একজন ।কবির চারিধারে তাদেরই পদচারণা সব চাইতে বেশি ।
তাই আজ নতুন এক স্লোগানে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করছে , ভাইসকল চলুন "জয় বাংলা বলিয়া, পুরান কথা যাই ভুলিয়া " !!!
তাই কবির দেহ ত্যাগ করার পর সব কিছু দেখিয়া, শুনিয়া, ক্ষেপিয়া, গিয়া আমি মূর্খের এই অযথা অনাসৃষ্টি "ঘুমাও হে গাছ "
বিঃ দ্রঃ কবির বই মেলার সেই আতংকে কাটানো সময়টা আজ আমার স্মৃতিতে না থাকার কারণে লিখতে পারলাম না ,তবে অবশই আপনাদের কারো না কারো সেই সময়টা স্মৃতিতে আছে ,তারা সঠিক সময় ও ঘটনাটি তুলে ধরলে আমরা জানতে পারবো ।

"ঘুমাও হে গাছ "

যে গাছকে ঘিরে শত আগাছারা ছিল বেঁচে।
সে গাছের সাথে আগাছারা যায় নি মরে
তারা থাকবে তব নতুন গাছের সন্ধানে !!
ঘুমাও হে গাছ !

যাদের করেছো ধারণ, আজীবন ,তাদের কথা ভেবো না,
তারা খুঁজে নেবে নতুন কোনো গাছ ,অথবা রাখবে তোমায়
মনে ,নিদৃষ্ট কোনো দিনে,রঙিন চোখের পানি আর
ইলশে গুঁড়ো বাণীতে ।
ঘুমাও হে গাছ !

তোমায় রাখবে ধরে তারা, যারা তোমার
বীজ আদর্শে হয়েছে সৃষ্ট নতুন কোন গাছ হয়ে,
তারাই থাকবে বাড়ন্ত সেই পথে
যেখানে তুমি করেছো শেষ ।
ঘুমাও হে গাছ !

তোমার আগাছারা যাবে মিশে, বৈপরীত্য চেতনার
নতুন কোনো গাছের সাথে। কোনো এক ভিন্ন সময়ে
তখন না হয় শূন্যতার দৃষ্টিতে তুমি তা দেখো
তবে বিভ্রান্ত হয়ো না ।
তুমি ছড়িয়েছো চেতনার বীজ
ওরাই থাকবে শক্ত দাঁড়িয়ে
শত ঝড়,সাইক্লোন,হ্যারিকেন এ !
ঘুমাও হে গাছ !

আল আমিন বাবু ( পহেলা সেপ্টেম্বর ২০১৬), লস এঞ্জেলেস ।



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের প্রাইমারি ও মাধ্যমিক শিক্ষা পাঠক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়েছে জানুয়ারি ২০১৭ তে বিতরণকরা নতুন বইয়ে অদ্ভুত সব কারণ দেখিয়ে মুক্ত-চর্চার লেখকদের লেখা ১৭ টি প্রবন্ধ বাংলা বই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ইসলামী মৌলবাদী লেখা যোগ হয়েছে, আপনি কি এই পুস্তক আপনার ছেলে-মেয়েদের জন্য অনুমোদন করেন?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ