১৯ নভেম্বর ২০১৭ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৬ষ্ঠ বর্ষ ০৪র্থ সংখ্যা: বার্লিন, রবিবার ২২ জানু –২৮ জানু ২০১৭ # Weekly Ajker Bangla – 6th year 04th issue: Berlin, Sunday 22 Jan–28 Jan 2017

‘অনেক ছেলে-মেয়েই সারারাত পর্নো দেখে'

দেশি চটি বই থেকে বিদেশি ‘প্লেবয়’

প্রতিবেদকঃ ডিডাব্লিউ তারিখঃ 2017-01-22   সময়ঃ 02:56:18 পাঠক সংখ্যাঃ 747

‘পর্নোগ্রাফি' বিষয়টি ডয়চে ভেলের পাঠকদের বেশ ভাবালেও, মতামত জানাতে বা আলোচনা করতে তাঁরা তেমন আগ্রহী নন বলেই মনে হয়েছে৷ তবুও যাঁরা মতামত জানিয়েছেন, তাঁদেরকে ধন্যবাদ৷> DW

পাঠক অরণ্য সৌভিক মনে করেন, পর্নো দেখাটা শুধু বয়সের ব্যাপার৷ তাঁর নিজের বয়স ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে৷ তিনি ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, ‘‘আমি বা আমার সমবয়সি বন্ধু-বান্ধব কেউ আর পর্নো দেখতে আগ্রহী নই৷ আমরা মনে করি, আমাদের ঐ বয়স পার হয়ে গেছে৷ তবে হ্যাঁ, এটা সত্যি যে আমরা সবাই একবার হলেও পর্নো ছবি দেখেছি৷''

পাঠক ওমর ফারুকের ধারণা, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পর্নো দেখে ১২ থেকে ২০ বয়সিরা৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘ওরা দোকান থেকে ১০ টাকায় এক জিবি....এনে সারারাত ধরে দেখে৷'' 

পুরনো বন্ধু এমএ বারিক অরণ্যর সাথে পুরোপুরি একমত৷ তিনি মনে করেন, এই যুগে এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার৷

পাঠক সেতুর মতে, এখন বড়রা পর্নো বিশেষ না দেখলেও ছোটরা পর্নোগ্রাফিতে বেশি ঝুঁকছে৷ তবে তিনি লক্ষ্য রেখেছেন যে, অনেক পর্নো ইন্টানেটসাইট এখন বেশ কিছুদিন থেকে বন্ধ৷ আর এ সম্পর্কে সেতুর মন্তব্য, ‘‘খুব ভালো হয়েছে বন্ধ করে৷''

পর্নো বিষয়ক লেখা বা এ বিষয়ে কথাবার্তা বলাটাই পাঠক পরিনীতা দাশের কাছে ভিতিকর৷ গৌতম বর্মনও পরিনীতার সাথে একমত প্রকাশ করেছেন৷

অন্যদিকে ডয়চে ভেলের পাঠক শেখ মনিরের কাছে পর্নো বিষয়ক কোনো আলোচনাই ভালো লাগে না, লাগেনি৷

দেশি চটি বই থেকে বিদেশি ‘প্লেবয়’

একটা সময় পর্যন্ত ঢাকায় তো বটেই, দেশের প্রায় সব মফঃস্বল শহরেও গোপনে বিক্রি হতো ‘চটি বই’৷ আদিরসাত্মক গল্পের সেই বইগুলো লেখা হতো ছদ্মনামে৷ চটি বইয়ের বাইরে ‘জলসা’, ‘নাট্যরাজ-’এর মতো নিরীহ নামের কিছু ‘পিনআপ’ ম্যাগাজিনও ছিল, যেগুলো প্রকাশের উদ্দেশ্যই ছিল নারীদেহ এবং যৌনকর্মের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দিয়ে পাঠক মনে যৌন উদ্দীপনা জাগানো৷ এছাড়া বড় শহরগুলোয় ‘প্লেবয়’ ম্যাগাজিনও পাওয়া যেত৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার, সম্পাদনা: দেবারতি গুহ



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ