১৯ জুলাই ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ২১ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ২১ মে– ২৭মে ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 21 issue: Berlin, Monday 21May-27May 2018

খাবার ও পানি ছাড়া কিভাবে বাঁচে জলজ প্রাণী?

ব্লগ ভাবনা

প্রতিবেদকঃ সাজেদ রহমান তারিখঃ 2017-05-23   সময়ঃ 16:32:57 পাঠক সংখ্যাঃ 591

মাছটির নাম আফ্রিকান লাংফিশ। বিস্ময়কর মাছ। বৈজ্ঞানিক নাম প্রোটোপটেরাস অ্যানেকটেনস। মাছের বেঁচে থাকতে খাবার আর পানি প্রয়োজন। খাবার বাদ দিলেও পানি ছাড়া কিভাবে বাঁচে জলজ প্রাণী? কিন্তু এই মাছটি খাবার ও পানি ছাড়াই দিব্যি তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে! শুধু তাই নয়, বিস্ময়কর এই মাছটি ঝিমিয়ে বা গভীর ঘুমে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে দিতে পারে!

অনেক সময়ই এই মাছ প্রাণে সজীবতা ও উচ্ছলতা স্থগিত করে দিতে পারে। তারা কোনো খাবার খায় না। পানিও লাগে না। ফলে দেহ থেকে কোনো বর্জ্য বের হয় না। তারা এক ধরনের অসাড় অবস্থায় প্রবেশ করে। ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে মিলিয়ে জৈবিক প্রক্রিয়াকে ধীরগতির করে ফেলে। প্রাণের প্রাণোচ্ছল অস্তিত্বকে এমন অসাড় করে দেওয়ার প্রক্রিয়াটির নাম ‘সাসপেন্ডেন্ট অ্যামিনেশন’।

কোনো প্রাণীর এ ক্ষমতার বিষয়টি বিজ্ঞানীদের কাছে বরাবরই বিস্ময়কর। চিকিৎসাবিজ্ঞান থেকে শুরু করে মহাকাশ ভ্রমণের ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনেক কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন তারা। ‘সাসপেন্ডেন্ট অ্যামিনেশন’প্রক্রিয়াটি যদি মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তবে সার্জনরা দেহের জটিল অস্ত্রোপচারের সময় আরো অনেক সময় ব্যয় করতে পারবেন। রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়া যেত। একইভাবে দূর মহাকাশে আরো সহজে ভ্রমণ করার সক্ষমতা লাভ করতো মানুষ।

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বায়োলজিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর এবং প্রধান গবেষক ইউয়েন নং এই মাছটির ওপর গবেষণা পরিচালিত করেন। সাসপেন্ডেন্ট অ্যানিমেশন অবস্থার ছয় মাস পর মিঠাপানিতে নিয়ে এ মাছের লিভারের জেনেটিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। টানা ছয় মাস পর অসাড় অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার পরদিনও পরীক্ষা করা হয়। বিজ্ঞানী দেখেছেন, তাপমাত্রার খুব বেশি বৃদ্ধি বা হ্রাসে এ মাছের দেহের কোষের কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে।

এমন অনুর্বর ও চরমভাবাপন্ন পরিবেশে আফ্রিকান লাংফিশগুলো অসাড় অবস্থায় চলে যায়। এ পরিস্থিতিতে কিছুই না খেয়ে এবং বর্জ্যের উৎপাদন বন্ধ করে তারা দিব্যি বহুকাল টিকে থাকতে পারে। এই নির্দিষ্ট সময়ে প্রাণশক্তি জমিয়ে রাখার বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আবার এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার পর পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার জৈবিক প্রক্রিয়াটিও বিস্ময়কর।

এ মাছটি খুব কৌতুহল সৃষ্টি করেছে। দেখা গেছে যে আ্ফ্রিকানরা খাল শুকিয়ে গেলে কঁদা দিয়ে বাড়ী তৈরী করেছে। কাদার মধ্যে আটকা পড়ে লং ফিসরা অসাড় অবস্থায় দীর্ঘদিন বঁচে আছে অতিরিক্ত বর্ষায় ঘরগুলো ভেঙে গেলে বেরিয়ে আসছে জীবন্ত লংফিস। মীরাকল। (প্রতিবেদনটি ফেসবুক থেকে সংগ্রহ) 

 

 

 

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ