২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং

জার্মানি ‘হোয়াইট হাউসের উপর নজরদারি' করেছে

গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য জানাতে অস্বীকার করেছে বিএনডি

প্রতিবেদকঃ ডয়েচে ভেলে তারিখঃ 2017-06-24   সময়ঃ 18:49:03 পাঠক সংখ্যাঃ 82

জার্মানির একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, হোয়াইট হাউসের কর্মীদের উপর কয়েক বছর নজরদারি করেছেন জার্মান গোয়েন্দারা৷ এর আগে ২০১৫ সালে ইইউ'র কয়েকটি সদস্যরাষ্ট্রের উপর নজরদারির তথ্য প্রকাশ হওয়ায় বিব্রত হয়েছিল বার্লিন৷> ডয়েচে ভেলে
সংবাদ বিষয়ক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘ডের স্পিগেল' বৃহস্পতিবার জানায়, তাদের কাছে এমন সব নথি এসেছে যেখানে হোয়াইট হাউসসহ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সরকারের উপর জার্মানির নজরদারি করার প্রমাণ রয়েছে৷
জার্মানির বিদেশ বিষয়ক গোয়েন্দা সংস্থা বিএনডি ১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রায় চার হাজার সিলেক্টর কিওয়ার্ড দিয়ে হোয়াইট হাউসের ইমেল ঠিকানাগুলোর উপর নজর রাখে৷
হোয়াইট হাউস ছাড়াও মার্কিন পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়, বিমানবাহিনী ও মেরিন কর্পসসহ কয়েকটি প্রতিরক্ষা সংস্থা এবং নাসার উপরও জার্মান গোয়েন্দারা নজরদারি চালিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে৷
কয়েকশত বিদেশি দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফও এই নজরদারির বাইরে ছিল না বলে জানা গেছে৷
গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য জানাতে অস্বীকার করেছে বিএনডি৷
বিব্রত বার্লিন
২০১৩ সালে এডওয়ার্ড স্নোডেনের প্রকাশ করা নথিতে দেখা গিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের মোবাইল ফোনে আড়ি পেতেছে৷ সেই সময় বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল৷ ম্যার্কেল তখন বলেছিলেন, ‘‘বন্ধুদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করা ঠিক নয়৷''
কিন্তু পরবর্তীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে জার্মানির সহযোগী কয়েকটি রাষ্ট্রের উপর নজরদারি চালাতে মার্কিন সংস্থাকে জার্মানির সহায়তা করার খবর বের হলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিল বার্লিন৷
জার্মান সংসদ বিএনডির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার করলেও এখন পর্যন্ত তা করতে পারেনি৷ চলতি বছরের শুরুতেএনএসএ অনুসন্ধান কমিটিকে ম্যার্কেল বলেছিলেন, তিনি বিএনডির কার্যক্রম সম্পর্কে কিছু জানেন না৷
জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, ডের স্পিগেল)

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

বাংলাদেশের প্রাইমারি ও মাধ্যমিক শিক্ষা পাঠক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়েছে জানুয়ারি ২০১৭ তে বিতরণকরা নতুন বইয়ে অদ্ভুত সব কারণ দেখিয়ে মুক্ত-চর্চার লেখকদের লেখা ১৭ টি প্রবন্ধ বাংলা বই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ইসলামী মৌলবাদী লেখা যোগ হয়েছে, আপনি কি এই পুস্তক আপনার ছেলে-মেয়েদের জন্য অনুমোদন করেন?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ