২৪ মে ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ০৫ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ২৯জানু–০৪ফেব্রু ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 05 issue: Berlin, Monday 29Jan-04Feb 2018

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ পরিচালনা করছে মিয়ানমার

বার্লিনে এক সম্মেলনে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-03-02   সময়ঃ 03:09:34 পাঠক সংখ্যাঃ 197

রোহিঙ্গা জাতিকে নির্মূলের লক্ষ্যে গণহত্যা পরিচালনা করছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী৷ আর আন্তর্জাতিক সমাজ এই গণহত্যা রোধে উদ্যোগী হচ্ছে না বলে বার্লিনে এক সম্মেলনে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷

জার্মানির রাজধানী বার্লিনের ইহুদি জাদুঘরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেন গণহত্যা বিষয়ক একাধিক গবেষক, অধ্যাপক, রোহিঙ্গা অ্যাক্টিভিস্ট এবং আইনজীবীরা৷ ‘বার্লিন কনফারেন্স অন রোহিঙ্গা জেনোসাইড' শীর্ষক সম্মেলনে বক্তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য মিয়ানমারে নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পর্যাপ্ত উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে মত দেন৷

বার্লিন সম্মেলনের আহ্বায়ক ড. মারিয়া দো মার কাস্ত্রো ভ্যারেলা এই বিষয়ে বলেন, ‘‘অনেকে বলেন, আমাদের গণহত্যার কথা বলা উচিত নয়৷ কেননা, গণহত্যার মানদণ্ড পূর্ণ হয়নি৷ কিন্তু আমরা মনে করি, সেটা হয়েছে৷ মিয়ানমারে গণহত্যা হচ্ছে৷ তাই রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি৷''

বিশেষজ্ঞরা রাখাইনে গণহত্যা হচ্ছে বললেও জাতিসংঘ সেটা মনে করছে না৷ এর একটি ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বার্লিন সম্মেলনে অংশ নেয়া বক্তারা৷ তাঁরা মনে করেন, কোনো দেশে গণহত্যা পরিচালিত হচ্ছে স্বীকার করা হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য সেটা বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার দায়িত্ব তৈরি হয়৷ রাখাইন অঞ্চলের সঙ্গে যেহেতু চীনসহ একাধিক শক্তিশালী রাষ্ট্রের ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িত আছে, তাই তাদের চাপে কঠোর হতে পারছে না জাতিসংঘ৷

বার্লিনে ইহুদি জাদুঘরের কাছেই হলোকস্ট মেমোরিয়াল অবস্থিত৷ চট্টগ্রাম থেকে আসা রোহিঙ্গা আইনজীবী সুলতানা রাজিয়া সম্মেলনের ফাঁকে মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন৷ তিনি মনে করেন, রোহিঙ্গাদের নির্মূলের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে মিয়ানমার৷

 

তবে তথ্য-উপাত্ত যা-ই থাক, রাখাইনে গণহত্যা বা নির্বিচারে রোহিঙ্গা হত্যা হচ্ছে বলে মানতে রাজি নয় মিয়ানমার৷ সেদেশের সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, ‘‘রাখাইনের ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে ‘জাতিগত নির্মূল' বা ‘গণহত্যার' মতো শব্দ ব্যবহারে আপত্তি জানাচ্ছে সরকার৷''

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে অবস্থান করছেন৷ তাঁরা শীঘ্রই নিজেদের দেশে ফিরে নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারবেন, এমন সম্ভাবনা দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা৷

এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রতিবেদনটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ