১৮ জুলাই ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ১৩ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ২৬মার্চ –০১এপ্রি ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 13 issue: Berlin, Monday 26Mar-01Apr 2018

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ ফার্ম হবে সৌদি আরবে

২০০ গিগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-03-28   সময়ঃ 06:33:15 পাঠক সংখ্যাঃ 142

সৌদি আরবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিনিয়োগ করবে সফটব্যাংক গ্রুপ করপোরেশনের ভিশন ফান্ড৷ ২০৩০ সালের মধ্যে এর মাধ্যমে ২০০ গিগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে৷

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সফটব্যাংকের প্রধান নির্বাহী মাশায়ওশি সন৷ বিশ্বব্যাপী বর্তমানে মোট সৌরবিদ্যুতের মজুদ রয়েছে ৪০০ গিগাওয়াট এবং ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোট পারমাণবিক শক্তি ছিল ৩৯০ গিগাওয়াট৷

বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশটি বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে অপরিশোধিত তেল ব্যবহার করছে৷ যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সালমান তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে  সৌর বিদ্যুতের পথে এগিয়ে নিচ্ছেন

২০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ প্রাথমিকভাবে ৭ দশমিক ২ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হবে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার৷ ২০৩০ সালের অর্থনীতি সংস্কারের যে পরিকল্পনা রয়েছে সৌদি আরবের, তাতে তেলের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর কথা বলা হয়েছে৷ যুবরাজ সালমান বলেন, ‘‘সৌদি রাজত্বে প্রচুর খালি জমি রয়েছে, রয়েছে ভালো প্রকৌশলী৷ এছাড়া এখানে সারাবছর সূর্য কিরণের অভাব হয় না৷'' 

বর্তমানে সৌদি আরবে ৬০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়৷ আর এজন্য ৩ থেকে ৮ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পোড়াতে হয়৷ জ্বালানি বিশ্লেষক পিটার কিরনান সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘সৌদি আরব অপরিশোধিত তেলের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পোস্ট-ফসিল জ্বালানির উপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে চাইছে৷ এর ফলে তারা আরও বেশি তেল রপ্তানি করতে পারবে৷''  তিনি জানান, ‘‘এখন পর্যন্ত সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌদি আরবে ভবন নির্মাণের কাজ চলছে খুব ধীরগতিতে৷ তবে সফটব্যাংক গ্রুপের সঙ্গে চুক্তির ফলে কাজের গতি বাড়বে বলে আশা করা যায়৷ তবে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০০ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সহজ হবে না৷''

এপিবি/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

১৫ হাজার মসজিদ চলবে সৌরপ্রযুক্তি দিয়ে

মহাপরিকল্পনা

মরক্কো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ১৫ হাজার সরকারি মসজিদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে৷ কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে৷ এই পরিকল্পনার আওতায় মসজিদগুলোতে জ্বালানি-সাশ্রয়ী বাতি, সৌরচালিত ওয়াটার হিটার ও সৌরপ্যানেল বসানো হবে৷

উদ্দেশ্য

একটি উদ্দেশ্য অবশ্যই পরিবেশ রক্ষা৷ সঙ্গে আছে খরচ কমানো এবং নাগরিকদেরও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করে তোলা৷ কারণ কোনো নাগরিক যখন দেখবেন এই জ্বালানি ব্যবহার লাভজনক, তখন তিনিও তা শুরু করবেন৷

খরচ কমেছে ৮০ শতাংশ

এটি আস-সুন্না মসজিদ৷ রাজধানী রাবাতে অবস্থিত৷ ইতিমধ্যে সেখানে সোলার প্রযুক্তি বসানো হয়েছে৷ ফলে জ্বালানি খরচ কমেছে প্রায় ৮০ শতাংশ৷ ঐ মসজিদে সৌরপ্রযুক্তি বসাতে ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ডলার৷ তবে এর ফলে জ্বালানি বাবদ খরচ প্রতি বছর কমবে ৭ হাজার ডলার করে৷

পাওয়ার গ্রিডে সরবরাহ

সৌরপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আস-সুন্না মসজিদে যে জ্বালানি উৎপাদিত হবে তার বাড়তি অংশ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে৷

২০৩০ সালের মধ্যে...

ঐ সময়ের মধ্যে মরক্কোতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে তার অর্ধেক নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি৷ এই লক্ষ্য পূরণে সৌরশক্তিসহ অন্যান্য উৎস খুঁজে বের করতে অনেকদিন ধরে কাজ করছে মরক্কো৷

চাকরির সুযোগ

লক্ষ্য পূরণে প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ হাজার নাগরিককে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলছে দেশটি৷ এছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি তৈরি ও স্থাপনের মতো বিষয়গুলো কোর্স কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে৷

 

 

 

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ