২১ জুন ২০১৮ ইং

ইরান চুক্তি বাঁচাবে ইইউ?

ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষস্থানীয় এক দূতের নেতৃত্বে

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-05-20   সময়ঃ 06:29:52 পাঠক সংখ্যাঃ 64

খবর বেরিয়েছে যে, ইরান চুক্তি বাঁচাতে এবার ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন ও চীনের সঙ্গে বৈঠক করবে জার্মানি৷ এ সপ্তাহেই ভিয়েনায় হবার কথা এই বৈঠক৷ যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠকে অংশ নেবে না৷

রোববার জার্মান পত্রিকা ভেল্ট আম সনটাগ এই খবর প্রকাশ করেছে৷ ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে এই চুক্তি করা হয়েছিল৷ তবে সম্প্রতি চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র৷ এরপর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ নিয়ে যেন হাহাকার পড়ে গেছে

প্রতিবেদনে কী আছে?
ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষস্থানীয় এক দূতের নেতৃত্বে জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া ও চীন বসবে এই বৈঠকে৷ আগামী সপ্তাহের কোনো এক সময় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় হবে এই বৈঠক৷
যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না৷ এছাড়া ইরান সেখানে থাকবে কিনা, তা-ও পরিষ্কার নয়৷
২০১৫ সালে করা চুক্তির অনুকরণে দেশগুলোর প্রতিনিধিরা নতুন একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করবেন৷ ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প ও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ভূমিকা সীমিত রাখার বিষয়টি থাকবে নতুন চুক্তিতে৷ তবে যোগ হতে পারে ইরানকে আর্থিক সহায়তা দেয়ার বিষয়টি৷
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে ইরানের পক্ষে ইইউ কী উদ্যোগ নিতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা করবেন কূটনীতিকরা৷

দু‘দিন আগে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল রাশিয়ার সোচিতে সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে ইরান চুক্তি বাঁচিয়ে রাখার বিষয়ে একমত হন তাঁরা
পত্রিকাটির রিপোর্টে একজন শীর্ষ ইইউ কূটনীতিকের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে যে, চুক্তির নাম পরিবর্তনসহ ‘কিছু বাড়তি উপাদান' যোগ করলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্মতি পাওয়া যেতে পারে৷ তবে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো বক্তব্য ছিল না প্রতিবেদনে৷
এই বৈঠক প্রমাণ করে ইরান চুক্তি বাঁচাতে কতটা মরিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷ ওয়াশিংটনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করে হলেও মস্কো, বেইজিং ও তেহরানের সঙ্গে কাজ করছে তারা৷ ইইউ মনে করে, চুক্তিটি না বাঁচাতে পারলে ফল হতে পারে ভয়াবহ৷

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের চুক্তিতে ছিল যে, ইরান তাদের পারমাণবিক অস্ত্র প্রকল্পগুলো সীমিত করে আনবে৷ যদিও দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পগুলো সম্পর্কে কিছুই ছিল না চুক্তিতে৷ মধ্যপ্রাচ্যে সশস্ত্র কয়েকটি দলকে ইরানের সহায়তা দেয়ার বিষয়েও কোনো কথা ছিল না৷
এর বদলে ইরানের ওপর থেকে পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়া হয়েছিল৷ এরপর ইরান তাদের জ্বালানি তেল উত্তোলন দ্বিগুণ করে দেয়৷ এতে করে তাদের অর্থনীতিও মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে থাকে৷



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ