১৯ অক্টোবর ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ২১ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ২১ মে– ২৭মে ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 21 issue: Berlin, Monday 21May-27May 2018

তসলিমা নাসরিন এর মরনোত্তর দেহদান নিউ দিল্লী হাসপাতালে

তসলিমা নাসরিন ফেইসবুক

প্রতিবেদকঃ মোনাজ হক তারিখঃ 2018-05-22   সময়ঃ 07:12:23 পাঠক সংখ্যাঃ 219

মৃত্যুর পর মানুষের কল্যাণে নিজের দেহকে উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকার করেছেন তিনি। তসলিমা চান মৃত্যুর পর তার দেহ যেন গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হয়।

মঙ্গলবার টুইট বার্তায় এ কথা জানান তসলিমা। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সে (এইমস) মরণোত্তর দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করেন তিনি। টুইট বার্তায় তসলিমা বলেন, এইমসের গবেষণা ও শিক্ষার জন্য মরণোত্তর দেহদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিজের ফেসবুক পেজে ওই অঙ্গীকারের একটি প্রমাণপত্রও পোস্ট করেন তিনি। বর্তমানে তসলিমা ভারতে বসবাস করছেন।

তাসলিমা নাসরিনের ফেইসবুক  ও   টুইট বার্তা

সব মানুষ সমান নয়। একই পরিবেশে বাস করেও দুজন মানুষের চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে। কেউ সৎ ,কেউ অসৎ। কেউ খুনী , কেউ উদার। পৃথিবীর সব কালচারও সমান নয়। কোনও কালচারের মান উঁচু, কোনও কালচারের মান নিচু। বিবর্তিত হয়ে, সংশোধিত হয়ে কিছু কালচার নারী পুরুষের বৈষম্য ঘুচিয়ে ফেলে, কিছু কালচার সংশোধিত হতে বাধা পেয়ে নারীকে পুরুষের দাসি বানিয়ে রাখে, কিছু কালচারে ব্যক্তিস্বাধীনতা খুব বড় ব্যাপার, কিছু কালচারে ব্যক্তিস্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই।
ভেবেছিলাম রমজান মাসটা রোজাদারদের সুযোগ দেব ওদের কদর্য কুৎসিত রূপ প্রকাশ না করার জন্য। কিন্তু রোজাদাররা সংযম জানে না। ওদের কদর্য কুৎসিত রূপ যে এরকম ভয়াবহ রকম কদর্য কুৎসিত
তা আমিও কি কখনও ভেবেছি! কদিন আমার কমেন্ট বক্সে যে কেউ ঢুকেছে, যে কেউ কমেন্ট করেছে, সেই কমেন্টগুলো পড়লে যে কোনও বোধ সম্পন্ন মানুষ বুঝে নেবেন,একই অঞ্চলে বাস করেও‌, মানুষ এবং তার সংস্কৃতিতে, কেমন আকাশ পাতাল পার্থক্য।
এই সন্ত্রাসী রোজাদারদের বাপ দাদারা এক কালে আমার ফাঁসির জন্য উন্মাদ হয়ে উঠেছিল। আর কোনও নাস্তিকের মাথার দাম ঘোষণা করেনি, আমারই করেছিল। আমার ফাঁসি চেয়েই লক্ষ লোক নামতো পথে। এর একটিই কারণ, আমি শুধু নাস্তিক নই, আমি মেয়ে, আমি মেয়েদের স্বাধীনতা আর সমান অধিকারের কথা বলেছি। নাস্তিকতা এদের সয় না, মেয়েদের অধিকার তো আরও সয় না। ফতোয়াবাজদের মগজ ধোলাই হওয়া নাতিপুতিরা এখন দেশের সন্ত্রাসী কাম টেকিস্যাভি যুব সমাজ। এরা যদি সত্যিই সামনে পেতো আমাকে, গণধর্ষণ তো করতোই, কুচি কুচি করে আমার শরীর কেটে, যা বলে এরা, ‘কুত্তা দিয়ে খাওয়াতো’। এতেই হয়তো এদের স্বস্তি । এতেই নিশ্চিত বেহেস্ত। সন্ত্রাসী রোজাদারদের কাছে খুন ধর্ষণ অনেকটা পূণ্য অর্জনের মতো।
কমেন্ট বক্স শুধু ফ্রেন্ডসদের জন্য। শত্রুরা ওদের নিজের দোষেই রমজান পর্যন্ত থাকার, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগ হারালো। সুযোগ বার বার আসে না। ২২/০৫/১৮ ইং তারিখে নিউ দিল্লী হাসপাতালে মরনোত্তর দেহদান এর যাবতীয় অফিসিয়াল চুক্তির ব্যাবস্হা করি। তসলিমা নাসরিন।
 

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ