২১ জুন ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ২৩ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ০৪জুন–১০জুন ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 23 issue: Berlin, Monday 04Jun -10Jun 2018

ডয়চে ভেলের জন্মের ৬৫ বছর

রেডিওর চেয়ে অনেক বেশি কিছু

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-06-03   সময়ঃ 18:13:55 পাঠক সংখ্যাঃ 16

গত ৬৫ বছর ধরে বিশ্বের মানুষকে সংবাদ এবং তথ্য সরবরাহ করছে ডয়চে ভেলে৷ আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্রটির বৈচিত্রময়তা এবং এটির ব্যবহারের পরিধিও বিস্তৃত হয়েছে৷

‘‘দূরবর্তী দেশগুলোর প্রিয় শ্রোতারা'' – এই শব্দগুলো দিয়েই ১৯৫৩ সালের ৩ মে জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচারকেন্দ্র ডয়চে ভেলের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন তৎকালীন জার্মান প্রেসিডেন্ট টেওডোর হয়েস৷ জার্মানির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক চিত্র বিদেশে শ্রোতাদের কাছে তুলতে ধরতে জন্ম হয়েছিল দেশটির আন্তর্জাতিক রেডিও কেন্দ্রটির৷

শুরুতে শর্টওয়েভে এবং শুধুমাত্র জার্মান ভাষায় অনুষ্ঠান প্রচার করতো ডয়চে ভেলে৷ সম্প্রচারকেন্দ্রটিতে প্রথম বিদেশি ভাষা যোগ করা হয় ১৯৫৪ সালে৷ আর ১৯৯২ সালে টেলিভিশন অনুষ্ঠান শুরু করে৷ এর কিছুদিন পরেই যাত্রা শুরু করে ইন্টারনেটে৷

‘‘অবশ্যই শর্টওয়েভের দিনগুলো অনেক সহজ ছিল,'' বলেন ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ৷ ‘‘তবে ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং আমাদের সহযোগীদের নেটওয়ার্ককে ধন্যবাদ৷ এসবের কল্যাণে এখন আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছি৷ আমরা সংবাদ, ব্যাকগ্রাউন্ড এবং মতামতধর্মী কন্টেন্ট তৈরি করছি, যেগুলো আধুনিক ফ্যাশনে এবং আমাদের বৈচিত্রময় ও আমাদের লক্ষ্যের ভিত্তিতে অপেক্ষাকৃত তরুণ শ্রোতা, পাঠক, দর্শকের চাহিদা অনুযায়ী প্রকাশ করা হচ্ছে৷''

 

লিমবুর্গ গত সাড়ে চারবছর ধরে ডয়চে ভেলের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন৷

রেডিওর চেয়ে অনেক বেশি কিছু

ডয়চে ভেলে রেডিওর যুগ থেকে অনেক দূরে চলে গেছে৷ প্রতিষ্ঠানটি এখন চারটি ভাষায় টেলিভিশন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে, পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অডিও কন্টেন্ট এবং ত্রিশটি ভাষায় ওয়েবসাইট৷ মোটের উপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডয়চে ভেলের বিস্তৃত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়৷

একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের সংবাদ গ্রহণের প্রক্রিয়াতেও পরিবর্তন এসেছে৷ স্মার্টফোনের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়া মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে৷ আগে যারা শ্রোতা ছিলেন এখন তারা অনুসারীতে পরিণত হচ্ছেন৷

ডয়চে ভেলের একাডেমি ১৯৬৫ সাল থেকে এখন অবধি বিশ্বের কয়েক হাজার সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে৷ জার্মান সরকারের মন্ত্রীরা যখন বিদেশ সফরে যান, তখন তারা প্রায়ই ডয়চে ভেলের হাইব়্যাংকিং সহযোগীদের সাক্ষাৎ পান যারা তাদের উপর ডয়চে ভেলের প্রভাব সম্পর্কে বর্ণনা করেন৷

ক্রিস্টফ স্ট্রাক/এআই

ডয়চে ভেলেকে জানুন

কৌতূহলীদের উপযু্ক্ত জায়গা

আপনি ডয়চে ভেলে সম্পর্কে আরো জানতে চান? প্রতিদিন বহু ভাষার এই প্রতিষ্ঠান কিভাবে কাজ করে, তা জানতে আগ্রহী? তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে উপযু্ক্ত জায়গা ডয়চে ভেলে৷

বন শহরে ডয়চে ভেলের প্রধান কার্যালয়ে আমরা সারা বিশ্বের জন্য ৩০টিরও বেশি ভাষায় ‘মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট’ পরিবেশন করি৷ আমাদের হয়ে কাজ করছে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের মানুষ৷

বন-এর প্রধান কার্যালয়ে কাজের পরিবেশ চমৎকার৷ কার্যালয়টির আকার অনেকটা ছোটখাট একটি শহরের মতো৷ আলাদা আলাদা ন’টা বাড়ি নিয়ে একটা বিশাল প্রাঙ্গন৷ কনফারেন্স রুম, ক্যানটিন, ক্যাফিটেরিয়া, খেলাধুলার জায়গা, আড্ডা মারা বা বসে গল্প করার জায়গা, লম্বা বারান্দা৷ তারপর সামনেই মাঠ, রাইন নদী – এক কথায় অপূর্ব!



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ