১৯ অক্টোবর ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ২৪ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ১১জুন–১৭জুন ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 24 issue: Berlin, Monday 11Jun -17Jun 2018

আশ্রয়প্রার্থীদের জাহাজ ভিড়তে দিচ্ছে না ইটালি, মাল্টা

আশ্রয়প্রার্থীদেরকে উদ্ধার করে ফ্রান্সের অ্যাকুয়ারিউস নামের একটি এনজিও

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-06-11   সময়ঃ 02:32:21 পাঠক সংখ্যাঃ 138

৬২৯ জন আশ্রয়প্রার্থীকে উদ্ধার করে ফ্রান্সের অ্যাকুয়ারিউস নামের একটি এনজিও'র জাহাজ বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় রয়েছে৷ ইটালি ও মাল্টা জাহাজটিকে অনুমতি দেয়নি৷

ইটালি ও মাল্টার কূটনৈতিক দ্বন্দ্বের বেড়াজালে আটকে আছে ফ্রেঞ্চ এনজিও জাহাজটি৷ কোথায় যাবে তার নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে তারা৷ রোববার ইটালি এই জাহাজটিকে তাদের বন্দরে ভেড়ানোর অনুমতি দেয়নি৷ তাদের দাবি, জাহাজটি মাল্টায় ভেড়ানো হোক৷

অন্যদিকে, মাল্টা সে দাবি প্রত্যাখ্যান করে অভিযোগ করে বলছে, জাহাজটিকে সমুদ্রে আটকে রেখে ইটালি আন্তর্জাতিক রীতিনীতি লঙ্ঘন করছে৷

ফ্রেঞ্চ সংস্থা এসওএস মেডিটারেনি বলেছে যে, জাহাজটিতে ৬২৯ জন আশ্রয়প্রত্যাশী আছে, যাদের ১২৩ জন অভিভাবকহীন শিশু এবং সাত জন সন্তানসম্ভবা নারী৷ এদের ৪শ' জনকে উদ্ধার করেছে ইটালির নৌবাহিনী ও বাণিজ্য জাহাজগুলো৷ এরপর তাদের অ্যাকুয়ারিউসে তুলে দেয়া হয়৷

রোববার ইটালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও সালভিনি বলেন, এখন থেকে ‘‘ইটালিও আশ্রয়প্রার্থীদের ‘না' বলবে''৷

ইটালির অতিডানপন্থি লীগের নেতা সালভিনি ও পরিবহণমন্ত্রী ফাইভ স্টার মুভমেন্টের নেতা দানিলো তোনিনেল্লি এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘‘যখন মানুষের জীবনের সুরক্ষার বিষয় আসে, তখন আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী মাল্টা সবসময় মুখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না৷''

‘‘ভূমধ্য সাগরে এখানকার সীমানাবর্তী সব দেশের সাগর, এবং তাদের (মাল্টা) এটা ভাবা উচিত নয় যে, এই বিরাট সমস্যার (অভিবাসন) সমাধান কেবল ইটালিই করবে,'' মন্ত্রীদ্বয় বলেন৷

মাল্টা অ্যাকুয়ারিউসকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে৷ সেখানে তারা বলেছে, লিবিয়ার জলসীমা থেকে আশ্রয়প্রার্থীদের তুলেছে অ্যাকুয়ারিস এবং উদ্ধার করা হয়েছে ইটালির  তত্ত্বাবধানে৷ তাই এটি মাল্টার দায় নয়৷

এমনকি ইটালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপে কন্টে মাল্টার সরকার প্রধান জোসেফ মুসকাটকে অনুরোধ করেছেন, অন্তত মানবিকতার খাতিরে জাহাজের যাত্রীদের গ্রহন করা হোক৷ কিন্তু মুসকাট তা প্রত্যাখ্যান করেন৷

গত পাঁচ বছরে লিবিয়া থেকে ছয় লাখেরও বেশি আফ্রিকান আশ্রয়প্রার্থী ইটালি গিয়েছেন৷ স্বেচ্ছাসেবী জাহাজগুলো এসব আশ্রয়প্রার্থীকে পাচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন ডানপন্থি রাজনীতিবিদরা৷

আশ্রয়প্রার্থীদের এই ঢল ইউরোপের দেশগুলোতে জাতীয়তাবাদী চেতনাকে উস্কে দিচ্ছে৷ সালভিনি এর আগে বলেছিলেন, ইটালি আর ‘‘ইউরোপের শরণার্থী ক্যাম্প হবে না৷''

এর আগে অন্য দেশে যাওয়ার রুট হিসেবে ইটালিকে ব্যবহার করতেন শরণার্থীরা৷ কিন্তু ডাবলিন রেগুলেশনের ফলে এখন প্রথম যে দেশে শরণার্থীরা আসেন, সে দেশেই তাঁদের আশ্রয়ের আবেদন করতে হয়৷

ইউরোপ জুড়ে শরণার্থীদের চলাচল সীমিত করতে এবং একাধিক দেশে আবেদন ঠেকাতে এই রেগুলেশনে একমত হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো৷ কিন্তু এর ফলে ইটালিতে ব্যাপক হারে বেড়েছে শরণার্থীর চাপ৷

জেডএ/এসিবি (এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

 

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ