১৯ জুলাই ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ২৫ সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ১৮জুন–২৪জুন ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 25 issue: Berlin, Monday 18Jun -24Jun 2018

শেষ মুহূর্তের গোলে মান বাঁচলো জার্মানির

সুইডেনের বিপক্ষে অপরাজিত ছিলো জার্মানি

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-06-23   সময়ঃ 00:01:51 পাঠক সংখ্যাঃ 37

এই ম্যাচ ড্র করলে বিদায় ঘণ্টা শুনতে পেতো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শেষ মুহূর্তে টোনি ক্রুসের গোলে আশা বাঁচিয়ে রাখলো ডি মানশাফট।

এর আগের ১১ দেখাতেই সুইডেনের বিপক্ষে অপরাজিত ছিলো জার্মানি। এর মধ্যে ৬ ম্যাচে জয়, আর ৫ ম্যাচে ড্র। জার্মানির বিপক্ষে সুইডেনের সবশেষ জয় এসেছিল সেই ১৯৭৮ সালে।

জার্মান দলের ডিফেন্স যে কতোটা নড়বড়ে, খেলা শুরু সাথে সাথেই তা স্পষ্ট হতে থাকে। কিন্তু সুইডিশ স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় বড় কোন অঘটনের হাত থেকে বেঁচে যান জার্মান খেলোয়াড়েরা।

কিন্তু খেলার ৩২ মিনিটে আর সুইডেনকে ঠেকিয়ে রাখা যায় নি। ক্লায়েসনের তুলে দেয়া বল বুক দিয়ে ঠেকিয়ে গোলকিপার নয়্যারের ওপর দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন ওলা টোইভনেন।

প্রথমার্ধে অনেক চেষ্টা করেও আর গোল শোধ দিতে পারেনি জার্মানরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরান মার্কো রয়েস। ৪৮ মিনিটে ডিবক্সে অসাধারণ কেরামতিতে সুইডিশ ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বল পাঠান প্রতিপক্ষের জালে।

এরপর বল দখলে মরিয়া হয়ে পড়ে দুই পক্ষই। আর হবেই না বা কেন! এই ম্যাচ জিতলেই যে মোটামুটি শেষ ষোলর টিকেট নিশ্চিত।ফলে ৫২ মিনিটে সুইডেনের আলবিন একডাল এবং ৭১ মিনিটে জার্মানির জেরোমে বোয়াটেংকে দেখতে হয় হলুদ কার্ড।

৮২ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে পেছন থেকে ট্যাকল করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন বোটেং। ফলে জার্মানি পরিণত হয় ১০ জনের দলে।

৯০ মিনিটের খেলা শেষ। ড্র তখন প্রায় নিশ্চিত। ঠিক তখনই অতিরিক্ত সময়ে ৯৫ মিনিটে টোনি ক্রুসের জাদু। দারুণ এক বাঁকানো শটে গোল বারের গা ঘেঁষে বল ঢুকে যায় জালে। গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়লেও, শেষমেষ কিছুই করার ছিলো না তাঁর।

 

বেলজিয়াম-টিউনিশিয়া

৯০ মিনিটের কিছু বেশি সময়। মাঠে টিউনিশিয়াকে নিয়ে রীতিমতো খেললো বেলজিয়াম। ৫-২ গোলের জয়ে শেষ ষোলতে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল বেলজিয়াম।

এক ম্যাচেই ৭ গোল! স্পেন-পর্তুগালের ম্যাচ শেষ হয়েছিলো ৩-৩ সমতায়। তবে বেলজিয়াম-টিউনিশিয়া ম্যাচে এলো ফলাফল, দুই দল মিলিয়ে এলো সাত সাতটি গোল।

চতুর্থবারের মতো দেখা দুই দলের। এর আগের তিনবারের মোকাবেলায় একবার করে অপরকে হারিয়েছে দু'দলই। ড্র হয়েছে অপর ম্যাচ।

ফলে মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামের এই ম্যাচ নিয়েছিল অনেকটাই টাইব্রেকারের ভূমিকা। ফলাফল, স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে বেলজিয়াম।

খেলা শুরু মাত্র ৬ মিনিটেই ডিবক্সে এডেন আজারকে ফাউল করে বসেন টিউনিশিয়ার সিয়াম বেন ইউসুফ। পেনাল্টি থেকে বেলজিয়ামকে লিড এনে দেন আজার।

এরপরও সতর্ক হননি টিউনিশি ডিফেন্ডাররা। বিপজ্জনক ট্যাকল করায় ১৪ মিনিটে ফেরিয়ানি সাসিকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।

১৬ মিনিটেই আবার গোল। এবারের নায়ক রোমেলু লুকাকু। সিয়াম বেন ইউসুফের পায়ের নিচ দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন টিউনিশিয়ার জালে। ম্যাচ পরিণত হয় ২-০ তে।

 

তবে খুবই দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে টিউনিশিয়া। বেলজিয়ামের সমর্থকেরা যখন দ্বিতীয় গোল উদযাপনে ব্যস্ত, তখন ১৮ মিনিটের মাথায় গোল করে বসে টিউনিশিয়া। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই খাজরির ফ্রি কিক থেকে বেলজিয়ামের জালে বল পাঠিয়ে দেন ডিলান ব্রোন।

এক গোল শোধ করে উজ্জ্বীবিত হয়ে ওঠে টিউনিশিয়া। কিন্তু আক্রমণ থামিয়ে রাখেনি বেলজিয়ামও। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে, ৪৮ মিনিটে ময়নিয়ারের বাড়ানো বল টিউনিশ গোলকিপারের মাথার ওপরে দিয়ে পোস্টে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন লুকাকু।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ৫১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন আজার।

দূর থেকে আসা বল বুক দিয়ে রিসিভ করে প্রতিপক্ষের দুই সেন্টার-হাফকে দৌঁড়ে পরাজিত করেন আজার। গোল বাঁচাতে এগিয়ে আসা গোলকিপারকেও ফাঁকি দেন বাঁ পায়ের আলতো টোকায়। এরপর সামনে ছিলো খালি গোলপোস্ট। বিন্দুমাত্র ভুল করেননি আজার। স্কোর তখন ৪-১।

৬৮ মিনিটে আজারকে নামিয়ে মাঠে পাঠানো হয় মিচি বাতসুয়াইকে। ঠিক ৯০ মিনিটে উঁচু হয়ে আসা বলে নিখুঁতভাবে পা ছুঁইয়ে স্কোর পরিণত করেন ৫-১ এ।

৯৩ মিনিটে কিছুটা সান্ত্বনা খুঁজে নেয় টিউনিশিয়া। অতিরিক্ত সময়ে বেলজিয়ান ডিফেন্সের ঢিলেঢালা ভাবকে কাজে লাগিয়ে গোল করেন ওয়াহবি খাজরি।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ জি থেকে শেষ ষোলতে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত করলো বেলজিয়াম।

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ