১৬ অক্টোবর ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ৩৭সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ১০সেপ্ট–১৬সেপ্ট ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 37 issue: Berlin, Monday 10Sep-16Sep 2018

বড় শহরগুলিতে কমছে গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ

অনুপস্থিত উন্নয়নশীল দেশগুলো

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-09-15   সময়ঃ 03:14:10 পাঠক সংখ্যাঃ 18

গত পাঁচ বছরে বিশ্বের ২৭টি বড় শহরে গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমেছে৷ কিন্তু তালিকার দিকে একটু ভালো করে নজর দিলে বোঝা যায়, এখনো উদযাপনের সময় আসেনি৷

এই তালিকায় আছে বার্লিন, লন্ডন, লস এঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক এবং প্যারিসের নাম৷ পাঁচ বছর আগের তুলনায় এখন নিঃসরণের হার অন্তত ১০ শতাংশ কম৷ বৃহস্পতিবার সান ফ্রান্সিসকোতে এক জলবায়ু সম্মেলনে দেশগুলো এ পরিসংখ্যান উপস্থাপন করে৷

জীবাশ্ম-জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমানো এবং গণপরিবহনের আওতা বাড়ানোতেই এই মাইলফলক অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্বের বড় শহরগুলোর জোট সি-৪০-এর নেতারা৷ প্যারিসের মেয়র আনে হিডালগো বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শেষ পর্যন্ত ভালো কোনো খবর দিতে পারা’ খুব আনন্দের ব্যাপার৷

গ্যাস নিঃসরণ কমলেও এর ফলে অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ছে না৷ ফলে হিডালগো মনে করেন, ‘‘আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি পরিবেশের ক্ষতি না করেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উন্নয়ন সম্ভব৷’’

 

শূন্যস্থান পূরণ

বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমানোর উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে সান ফ্রান্সিসকোর এই সম্মেলনে যোগ দেন কয়েক হাজার রাজনীতিবিদ, জলবায়ু অ্যাক্টিভিস্ট এবং ব্যবসায়ী নেতারা৷

২০১৫ সালের প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করায় যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা পূরণে সচেষ্ট তারা৷ সবচেয়ে বেশি গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণের তালিকায় চীনের পরই আছে যুক্তরাষ্ট্রের নাম৷

প্যারিস চুক্তি অনুসারে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে আটকে রাখার লক্ষ্যে কাজ করতে সম্মত হয় দেশগুলো৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, শিগগিরই হয়তো বৈশ্বিক উষ্ণতা এ লক্ষ্য অতিক্রম করতে পারে৷

অনুপস্থিত উন্নয়নশীল দেশগুলো

তবে বড় শহরগুলোর সাফল্যে এখনই খুশি হওয়ার মতো কিছু দেখছেন না বিশ্লেষকরা৷ তাঁরা বলছেন, যে ২৭টি শহর নিঃসরণ কমানোর দাবি করছে, সেসব শহর মিলিয়ে বাস করেন মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষ৷ উন্নয়নশীল কোনো দেশের কোনো শহরই এই তালিকায় নেই৷

সি-৪০ নেতারাও এই দুর্বলতা বিষয়ে অবগত আছেন৷ হিডালগো বলোন, ‘‘উন্নয়নশীল শহরগুলোসহ যেসব জায়গায় জরুরি ভিত্তিতে পরিবেশ ও জ্বালানি নিরাপত্তা প্রয়োজন, সেদিকে আমাদের সবার আগে নজর দিতে হবে৷’’

উন্নত দেশগুলোর সাফল্য সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের আশংকা, অপেক্ষাকৃত দরিদ্র দেশগুলিতে আগামী বছরগুলোতে গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ বেড়েই চলবে৷

এডিকে/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ