১৬ অক্টোবর ২০১৮ ইং
সাপ্তাহিক আজকের বাংলা - ৭ম বর্ষ ৩৯সংখ্যা: বার্লিন, সোমবার ২৪সেপ্ট–৩০সেপ্ট ২০১৮ # Weekly Ajker Bangla – 7th year 39 issue: Berlin, Monday 24Sep-30Sep 2018

মাদকযুদ্ধে এক মাসেই নিহত ৪৪৪!

দুই বছরে গ্রেফতার করা হয়েছে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে

প্রতিবেদকঃ DW তারিখঃ 2018-09-27   সময়ঃ 20:35:41 পাঠক সংখ্যাঃ 20

ফিলিপাইন্সে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ হিসেবে শুধু আগস্ট মাসেই নিহত হয়েছেন ৪৪৪ সন্দেহভাজন৷ দেশটির মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জানিয়েছে এ তথ্য৷

২০১৬ সালে শুরু হওয়া এই অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৪,৮৫৪ জন নিহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে ফিলিপাইন্স ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি পিডিইএ৷ দেশটির সরকার অবশ্য দাবি করে আসছে যারা পুলিশকে বাধা দিয়েছে, কেবল তাঁদের ওপরই গুলি ছোঁড়া হচ্ছে৷

দুই বছরে গ্রেফতার করা হয়েছে দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে৷ এই সময়ে অন্তত ১২টি মাদক তৈরির কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে, ২২৩টি মাদকের আস্তানা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে দেশটির আইনশৃংখলা বাহিনী৷

অভিযানে জব্দ হওয়া মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ২৪ বিলিয়ন ফিলিপিনো পেসো বা প্রায় সাড়ে চারশ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷

 

মানবাধিকার কর্মীরা শুরু থেকেই এই ঘটনাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করে আসছেন৷ তাঁদের দাবি, সরকারি হিসেবে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কমিয়ে দেখানো হচ্ছে৷ আসল সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলেও মনে করেন তাঁরা৷

কিন্তু মানবাধিকার কর্মীরা যা-ই বলুন না কেন, জরিপে প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তের মাদকবিরোধী যুদ্ধে জনগণের সমর্থন বাড়ছে বলে জানিয়েছে সোশ্যাল ওয়েদার স্টেশন নামে একটি বেসরকারি সংগঠন৷

জুন মাসে করা এ জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৭৮ ভাগ নাগরিক মনে করেন, মাদক দমনে সঠিক পথেই এগোচ্ছেন দুতার্তে৷ কেবল ১৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তাঁদের অসন্তুষ্টি৷ এর আগে মার্চ মাসে করা জরিপে দুতার্তের নীতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন ফিলিপাইন্সের ৭৫ শতাংশ মানুষ৷

জরিপে ২৬ শতাংশ ফিলিপিনো মনে করেন, পুলিশের বিরুদ্ধে ‘লড়াই’ করায় সন্দেহভাজনরা নিহত হয়েছেন বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন না৷ অন্যদিকে, ২৭ শতাংশ নাগরিক পুলিশের দেয়া ভাষ্যে আস্থা রাখেন৷

একই জরিপে দেখা গেছে, ৯৬ শতাংশ নাগরিক মনে করেন, পুলিশের উচিত যেভাবেই হোক, সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীদের জীবিত গ্রেফতার করা৷ কিন্তু চার শতাংশ মানুষ পুলিশ কী করলো, তার ধার ধারেন না৷ তাঁদের মতে, যেভাবেই হোক, মাদক দমনই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য৷

এডিকে/এসিবি (ডিপিএ)

কারাগারের জীবন এমন ভয়ংকর!

খোলা জায়গায় থাকা

গারদে যাদের জায়গা হয় না, তাদের খোলা জায়গায় রাত কাটাতে হয়, যেখানে কোনো ছাদ নেই৷ এখন ফিলিপাইন্সে বর্ষাকাল৷ প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে, আর এ সময় এমন খোলা জায়গায় রাত কাটানো কতটা কষ্টকর তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷

গারদে কয়েক ধাপ

একটি গারদে অনেকগুলো হ্যামক ঝোলানো আছে৷ একটি হ্যামকেও যদি জায়গা পাওয়া যায়, তাহলে তার ভাগ্য ভালো৷ ৬০ বছর আগে কারাগারটি নির্মিত হয়েছে, যেখানে থাকতে পারে ৮০০ বন্দি৷ অথচ বর্তমানে সেখানে আছে ৩,৮০০ বন্দি৷

শান্তিতে শ্বাস নেয়ার জায়গার অভাব

কারাগারের প্রতিটি ইঞ্চি পরিপূর্ণ-এক ফোটাও জায়গা যে নেই ছবি দেখলেই তা বোঝা যায়৷ বন্দিদের বেশিরভাগই পাতলা কাপড়ের উপর বা কেবল খালি মেঝেতে ঘুমিয়ে থাকে৷

 

 

 

 



আজকের কার্টুন

লাইফস্টাইল

আজকের বাংলার মিডিয়া পার্টনার

অনলাইন জরিপ

প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার রোহিঙ্গা দেরকে অত্যাচার করে ফলে ২০১৭ তে অগাস্ট ২৫ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ মাসে ৫ লক্ষ্য রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ শরণার্থী দেরকে আবার ফিরে পাঠিয়ে দিক?

 হ্যাঁ      না      মতামত নেই    

সংবাদ আর্কাইভ